আপনার রাগের মাত্রা জানুন

রাগের মাত্রা যাচাইয়ের এই পরীক্ষায় আপনার হঠাৎ রেগে ওঠার প্রবণতা ও বৈরিতা মূল্যায়ন করা হয়। এটি জুডিথ এম. সিগেলের তত্ত্বের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

রাগ আর আক্রমণাত্মকতা এক নয়। এই দুটি ধারণার প্রকৃতি আলাদা। আক্রমণাত্মকতা হলো এমন এক ধরনের আচরণ, যেখানে সক্রিয়ভাবে প্রতিরোধ করা হয়। কখনো আক্রমণাত্মক আচরণ মানুষকে চারপাশের বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে। আবার কখনো মানুষ নিজেকে সংযত রাখতে না পারলে এটি তার জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। আক্রমণাত্মক আচরণ বিভিন্ন রূপে প্রকাশ পেতে পারে: মৌখিক, শারীরিক, পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ। তবে সাধারণত আক্রমণাত্মক আচরণের পেছনে আবেগ ও অনুভূতি থাকে (রাগ, প্রচণ্ড ক্রোধ, ঘৃণা, ক্ষোভ)। তাই রাগ হলো এমন একটি আবেগ, যা কোনো বিষয়ে অসন্তোষ, ক্ষোভ বা ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনায় তীব্র আপত্তির মাধ্যমে প্রকাশ পায়। আর রাগ থেকে বিভিন্ন ধরনের আক্রমণাত্মক আচরণ দেখা দিতে পারে।

রাগের মাত্রা নির্ধারণের এই পরীক্ষায় সামগ্রিক মাত্রার পাশাপাশি আরও ৪টি ধরন মূল্যায়ন করা হয়:

  1. হঠাৎ রেগে ওঠার প্রবণতা;
  2. বাহ্যিকভাবে প্রকাশিত রাগ;
  3. ভেতরে চেপে রাখা (লুকানো) রাগ;
  4. বৈরিতা।

তাই রাগের মাত্রা যাচাইয়ের এই পরীক্ষাটি দিলে আপনি জানতে পারবেন, কত ঘন ঘন আপনার রাগ হয় এবং কোন রূপে তা বেশি প্রকাশ পায়। শুরু করবেন?

পরীক্ষার লেখক: 
পরীক্ষা হালনাগাদ: