1. দক্ষতা (অভ্যাসগত দক্ষতা): এটি এমন একটি কাজ, যা বারবার অনুশীলনের পর স্বয়ংক্রিয় হয়ে যায়। দক্ষতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কাজটি সম্পাদনের সময়গত মানদণ্ড এবং সার্বক্ষণিক মনোযোগ ও নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই তা করার সামর্থ্য। দক্ষতা হতে পারে চলনভিত্তিক (যেমন, গাড়ি চালানোর দক্ষতা), জ্ঞানীয় (যেমন, গাণিতিক সমস্যা সমাধানের দক্ষতা) অথবা প্রত্যক্ষণমূলক (যেমন, নির্দিষ্ট শব্দ বা অবয়ব শনাক্ত করার দক্ষতা)।

  2. দক্ষতা (কর্মক্ষেত্রের চলন): এটি নির্ধারিত নির্ভুলতা ও গতিতে সরঞ্জাম এবং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কাজসংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের সামর্থ্য। এ ধরনের দক্ষতায় জ্ঞানীয় উপাদান (কর্মপরিসর বোঝা, কাজের পরিকল্পনা করা, কাজ সম্পাদন নিয়ন্ত্রণ করা) এবং চলনসংক্রান্ত উপাদান (শারীরিকভাবে কাজটি সম্পাদন করা) উভয়ই অন্তর্ভুক্ত থাকে। কাজ সম্পাদনের সময় জ্ঞানীয় ও চলনসংক্রান্ত উপাদানগুলো পরস্পরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করতে এবং সংশোধিত হতে পারে। এ ধরনের দক্ষতার প্রশিক্ষণপ্রক্রিয়া এমন জ্ঞানীয় উপাদান গড়ে তোলাকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা যুক্তিসংগত ও উদ্দেশ্যপূর্ণ কাজ নিশ্চিত করে। যেমন, প্রশিক্ষণের শর্তে বৈচিত্র্য এনে এটি অর্জন করা যেতে পারে।