আপনার স্বভাব কী কঠিন? কঠিন স্বভাবের সাতটি বৈশিষ্ট্য

শৈশবের ক্ষোভ ও মানসিক আঘাত ভবিষ্যৎ স্বভাব গঠনের প্রধান উপাদান। শৈশব যত বেশি কষ্টের হয়, প্রাপ্তবয়স্ক বয়সে স্বভাব তত বেশি জটিল হতে পারে। কঠিন স্বভাব বলতে কী বোঝায়?

জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের চেলসি স্লিপের তত্ত্বের ভিত্তিতে আমরা কঠিন স্বভাবের এই পরীক্ষাটি তৈরি করেছি। এতে নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো রয়েছে:

  • নিষ্ঠুরতা (আবেগহীনতা, কঠোরতা, সহমর্মিতার অভাব)
  • আত্মম্ভরিতা (নিজেকে নিয়ে অতিরিক্ত উচ্চ ধারণা)
  • আক্রমণাত্মকতা
  • অবিশ্বাস (সন্দেহপ্রবণতা)
  • অন্যকে প্রভাবিত করে নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা (ম্যাকিয়াভেলিয়ানিজম)
  • আধিপত্যপ্রবণতা (অন্যদের নিয়ন্ত্রণ করার আকাঙ্ক্ষা)
  • ঝুঁকিপ্রবণতা (ঝুঁকি জেনেও অসতর্ক থাকা)

এমন মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করা, কাজ করা ও বসবাস করা কঠিন। কারণ তাঁদের আচরণ আগে থেকে বোঝা যায় না এবং তাঁরা যেকোনো সময় নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারেন। এই পরীক্ষা আপনার মধ্যে কঠিন স্বভাবের বৈশিষ্ট্যগুলো কতটা আছে, তা বেশ নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করতে পারে। তবে প্রশ্নগুলোর উত্তর আপনাকে পুরোপুরি সৎভাবে দিতে হবে।

আপনার স্বভাবকে কী কঠিন বলা যায়? চেলসি ই. স্লিপের গবেষণাভিত্তিক কঠিন স্বভাবের পরীক্ষাটি দিয়ে জেনে নিন!